শিগগিরই বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে আন্দোলনের রূপরেখা দেবে বিএনপি

বাংলা ডেস্ক : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম দফার সংলাপ শেষে কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে। অল্প সময়ের মধ্যেই বিএনপি এ বিষয়ক রূপরেখা ঘোষণা করবে।
রবিবার (৪ সেপ্টে¤\^র) রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি চলতেই থাকবে। ১০ তারিখ পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি আছে সারা দেশে। এরপর আবার নতুন কর্মসূচি জানাবো আপনাদের। এই আন্দোলন চলবে চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত।’
বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম গঠন করে আন্দোলনকে বেগবান করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমাদের আলোচনা এখনও চলছে। আপনারা জানেন যে, সব জিনিসের একটি টিটবিটস (মুখরোচক উপাদান) থাকে আরকি। দাবিগুলো ও ন্যূনতম যে কর্মসূচি সেগুলো নিয়ে কথা বলছি। আমরা আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে এটাকে চূড়ান্ত করে আমরা জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারবো।’
সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল জানান, সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের কর্মসূচি চলবে। তিনি বলেন, ‘এই সরকারকে অবশ্যই সরে যেতে হবে। সরে গিয়ে নিরপেক্ষ একটা তত্ত্বাধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে। একই একটা নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। এই লক্ষ্যেই আমরা এগোচ্ছি।’
গত ২২ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টে¤\^র পর্যন্ত সারাদেশ বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী,ভোলা,বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফেনী, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, নরসিংদী, ঢাকা, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, লক্ষীপুর, যশোর, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও ময়মনসিংহে দলীয় কর্মসূচি পালনের সময়ে ক্ষমমতাসীন দল ও পুলিশি হামলার ঘটনায় হতাহত ও গ্রেফতার তালিকা তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, ‘সারাদেশে নিহত হয়েছে তিন জন, আহত হয়েছে দুই হাজারের অধিক নেতাকর্মী। গ্রেফতারের সংখ্যা ২শ জনের অধিক। সারাদেশে নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে প্রায় চার হাজার ৮১ জনের অধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এবং অজ্ঞাত আসামি প্রায় ২০ হাজার। সারাদেশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে ২০/২৫টি স্থানে। বাড়িঘর, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে ৫০টি স্থানে।’

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial