পাবনায় মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি

স্টাফ রিপোর্টার: চার দিনের সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে নিজ জেলা পাবনায় বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টায় পাবনা সদর উপজেলার আরিফপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে গিয়ে তিনি কবর জিয়ারত করেন।
কবরস্থানে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতিকে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাগত জানান। পরে তিনি মা-বাবার কবরের পাশে কিছু সময় অবস্থান করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। এ সময় তার পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ স্বজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে আরিফপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থান এলাকায় আগেই নেওয়া হয় বিশেষ প্রস্তুতি। পুরো এলাকায় নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
জিয়ারত শেষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্থানীয় কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তি ও উপস্থিত মানুষের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময় করেন। এ সময় এলাকাবাসীর মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে একনজর দেখার আগ্রহ লক্ষ করা যায়।
সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা স্থানীয় প্রবীণ স্কুলশিক্ষক মাসিদুর মজহার বলেন, ‘অনেকদিন পর দূর থেকে ভাইকে (মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে) দেখলাম। কাছের মানুষ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হলে ভালো লাগে। আশা করি, তিনি পাবনার জরুরি বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন।
জিয়ারত শেষে রাষ্ট্রপতি পাবনা সার্কিট হাউসে ফিরে গেছেন। সন্ধ্যা ৭টায় পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ১১টায় সদর উপজেলার ভবানীপুর মসজিদ পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। একইদিন সন্ধ্যা ৭টায় শহরের নিজ বাসভবনে গিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটাবেন এবং রাত ৯টায় সার্কিট হাউসে ফিরে রাত্রিযাপন করবেন।
এর আগে শনিবার (২৮ মার্চ) চার দিনের সরকারি সফরে পাবনায় পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সফরের শুরুতেই তিনি পাবনা সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। চার দিনের এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে।
এদিকে, রাষ্ট্রপতির সফরসংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহে কিছুটা বিঘ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সফর কাভারের জন্য স্থানীয় সাংবাদিকদের করা আবেদনপত্র এখনও স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) কর্তৃক অনুমোদন না পাওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে নির্বিঘ্নে তথ্য ও ছবি সংগ্রহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial