আমি যেন কারো ষড়যন্ত্রের শিকার না হই– কফিশপের মালিক মুক্তি
স্টাফ রিপোর্টার // হার্ডিঞ্জব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় ১৯৯১ সালে রেল থেকে আমার নামে ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি লীজ নেয়া হয়। আমার বাবা নিয়েছিল ৪৬ বছর আগে। ১৯৯১ সালে আমার বাবার নাম কেটে আমার নামে লীজ নিয়েছি। প্রায় দুই যুগ আগের পুরাতন লিচু বাগান এখানে রয়েছে যা আমি করেছি। কলার চাষ করি প্রতি বছর। প্রতি শুক্রবার হাজারো মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকরা বিশেষ করে মহিলারা বাথরুম সমস্যায় পড়ে। আমার এই খাবারের দোকানে এসে অনেকে আফসোস করে। আমি দোকানটি বর্ধিত করেছি, বাথরুম, পানি, বসার জায়গা, কেউ পিকনিকে আসলে সেটিরও ব্যবস্থা করতে চাচ্ছি। বাংলাদেশ সরকারকে নিয়মিত ভ্যাট ট্যাক্স দিচ্ছি।
গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টায় ঈশ্বরদী উপজেলা প্রেসক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোক্তার হোসেন মুক্তি এসব কথা বলেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি যেন কারো ষড়যন্ত্রের শিকার না হই। নারী, পুরুষ, শিশু-কিশোররা এমনকি স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষকরা এই ঐতিহাসিক স্থানে বেড়াতে এসে বিনা টাকায় এই কফিশপের ওয়াশরুম, বাথরুম ব্যবহার করেন। এমনকি কফিশপকে ঘিরে তৈরী করা পাকাবেঞ্চ, চেয়ার টেবিল ব্যবহার করে প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করেন। সেবামূলক কাজ করায় আমাকে অনেকে ধন্যবাদও জানান। সেতু এলাকায় অতীতে অনেক ছিনতাই, রাহাজানী ও দর্শনার্থীদের নির্যাতন হতো। এই অবস্থা থেকে দর্শনার্থীদের বিনোদন দিতে ও এলাকার সুনাম রক্ষার্থে এসবের ব্যবস্থা করেছি। অথচ একটি কুচক্রীমহলের কতিপয় সদস্যরা ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে এই এলাকায় আবারও পূর্বের ন্যায় সন্ত্রাস রাহাজানি ইভটিজিংয়ের পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। রেলকর্তৃপক্ষের কাছে আমার নামে হয়ত মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করা হতে পারে বলে সন্দেহ করছি। তানাহলে ডিআরএম সাহেব আমাকে কফিশপ বন্ধের জন্য বলতেন না। আমি বিষয়টি রেলের সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি দেয়ার অনুরোধ জানাই।

