তারেক রহমানের মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাননি বিএনপির যেসব জ্যেষ্ঠ নেতা

বাংলা ডেস্ক: দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে নতুন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। তবে এই মন্ত্রিপরিষদে ডাক পায়নি বিএনপির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা।
তারেক রহমানের এই নতুন মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের চমক দেখা গেছে। বিশেষ করে দলের স্থায়ী কমিটির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও রাজপথের পরিচিত মুখদের এই তালিকায় দেখা যায়নি। মন্ত্রিসভায় ডাক না পাওয়া শীর্ষ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান। এছাড়া জ্যেষ্ঠ নেতা আমানউল্লাহ আমান ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নেই মন্ত্রিপরিষদে।
এদের মধ্যে নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী ছাড়া তালিকায় থাকা বাকি সবাই অতীতে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ২৯৭ জন সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত প্রার্থীর গেজেট শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল মতে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের নির্বাচনে ২০৯টি আসনে জয় পায় বিএনপি। ফলে ২০ বছর পর আবারও সরকার গঠন করে রাষ্ট্রক্ষমতার স্বাদ পেতে যাচ্ছে দলটি। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে।
জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫১টি আসনে বিজয়ী হলেই গঠন করা যায় সরকার। অর্থাৎ মোট আসনের ৫০ দশমিক ৩৩ শতাংশ আসনে জয়ী হলেই সরকার গঠন করতে পারে একটি দল। সে হিসাবেই ৬৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ আসনে বিশাল জয় নিয়েই এবার সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial